প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন সার মজুদ রয়েছে।
এ কথা তিনি বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয় মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি ৭১) এর নোটিশের জবাবে জানিয়েছেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী বলেন, "আমি সরকারের বুলি আওড়াচ্ছি না, সত্যিটাই বলছি।" বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন সার মজুদ রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। এছাড়া, প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টন সার পাইপলাইনে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত বছর এই সময়ে সারের মজুদ ছিল ১২ লাখ টন। বর্তমানে গোডাউনে মজুদ রয়েছে প্রায় ১৩ লাখ টন। বন্দরে বা জাহাজে পাইপলাইনে রয়েছে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টন। দেশের মোট সারের চাহিদা বছরে ৪০ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন। তাই সারের কোনো সংকট নেই।
মন্ত্রী বলেন, "একটি সংঘবদ্ধ দল বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।" তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, গত কয়েকদিনে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়েছেন। কৃষকবান্ধব সার বিতরণে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রণয়নের জন্য একটি নতুন নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এতে প্রতি ইউনিয়নে ৩ জন করে মাস্টার ডিলার নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে একজন বিএডিসির, একজন বিসিআইসির এবং নতুন করে আরও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।
আমিন উর রশিদ জানান, ডিলারদের অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চালের গুদাম বা ধানের মিলে সার পাওয়ার মতো ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার, জরিমানা ও ডিলারশিপ বাতিলের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য উপজেলা, জেলা ও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলাদা মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন