প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) মারা গেছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
নিহত ব্যক্তি লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির পুত্র ছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নিহতের বড় ভাই নুরুল আমিন জানিয়েছেন, তার ভাইয়ের মাঝে মাঝে বুকে ব্যথা অনুভব হতো। কারাগারে থাকার সময় তিনি কিছুদিন অসুস্থ ছিলেন। শনিবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইনি জটিলতার কারণে কয়েক ঘণ্টা সময়ক্ষেপণ হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। একপর্যায়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। সম্প্রতি তিনি ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। দুদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলেও অভিযোগ রয়েছে যে তিনি সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাননি।
জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে খাইরুল আমিন রুহুল সরকারকে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘খাইরুল আমিন রুহুল সরকার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেওয়ায় প্রথমে তাকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোররাতে তার মৃত্যু হয়।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন