প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাপ্তাই বাঁধের সব জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।
কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছে।
পানি ছাড়ার সময় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার দুপুরে কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
হ্রদের পানির উচ্চতা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত মাসেও কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে পানি ছাড়া হয়েছিল।
বর্তমানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫টি ইউনিট সক্রিয় রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।
এছাড়াও স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে আরো প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হচ্ছে। ফলে কর্ণফুলী নদীতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেতে পারে।
এই কারণে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার জন্য কর্তৃপক্ষ আহ্বান জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন