সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১০ পি.এম
গাজীপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জয়দেবপুর এলাকা থেকে ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ তিনজনকে আটক করেছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল রোববার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, দিনাজপুরের বিরামপুর থানার মৃত মহির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৮) ও তার স্ত্রী শেফালী খাতুন (৩০) এবং নাটোরের সিংড়া থানার চামারী ইউনিয়নের বিল দহর এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জয়দেবপুরে মূল চক্রের সদস্যরা মাদকের চালান হস্তান্তরের জন্য অবস্থান করছে, এমন তথ্য পেয়ে জয়দেবপুরের হান্ডি বিরিয়ানি দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে শেফালী খাতুন নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার ভ্যানিটি ব্যাগে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ পিস, তার স্বামী আব্দুস সালামের শপিং ব্যাগে ৩০০ পিস এবং শহিদুল ইসলামের ট্রাভেল ব্যাগে ৩০০ পিসসহ মোট ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করা হয়।
গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন বাসসকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে এসব কুপিজেসিক ইনজেকশন এনে গাজীপুরের টঙ্গীসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সরবরাহ করতেন।
তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে জেলা এবং মহানগর সহ অধীনস্থ ইউনিটসমূহে ঘোষিত সাত দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি একটি মেডিকেল টিম গঠন করেছে।
আজ সোমবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনার ভিত্তিতে এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
মেডিকেল টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল।
যুবদলের স্বাস্থ্য সম্পাদক এবং নবগঠিত মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘দেশবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সচেতন করতে আমাদের এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই টিম কাজ করা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে যুবদলের কর্মী হিসেবে আমরা সবসময়ই প্রস্তুত।’
ডেঙ্গু সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এই চিকিৎসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো সচেতনতা। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, জমা পানি দূর করতে হবে এবং এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার করা উচিত এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় দলের সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদের পবিত্র কাবা শরিফে ওমরাহ পালনের ইচ্ছে ছিল তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে। তবে, সেই ইচ্ছা পূরণের পূর্বেই না ফেরার দেশে চলে যান তার মেয়ে কারিনা কায়সার। শোকার্ত এই বাবা এবার মেয়ের স্মৃতি ও অপূর্ণ ইচ্ছাকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় গেছেন ওমরাহ পালন করতে।
কারিনা তার পাশে নেই, তবে পাসপোর্টটি তার স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেছে। সেই পাসপোর্টটি সঙ্গে নিয়েই কায়সার হামিদ পবিত্র কাবা শরিফে পৌঁছেছেন। গত বছর থেকেই তিনি মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েক মাস আগে চেন্নাইয়ের ভেলোর ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কারিনা মারা যান।
মক্কা থেকে কারিনার পাসপোর্ট হাতে একটি আবেগঘন ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন কায়সার হামিদ। সেখানে তিনি মেয়েকে নিয়ে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনার কথা স্মরণ করে জানান, "কারিনা তাদের আগেই আল্লাহর কাছে চলে গেছে।"
মেয়ের শারীরিক উপস্থিতি না থাকলেও কায়সার বিশ্বাস করেন, আত্মিকভাবে কারিনা তার সঙ্গেই ছিল। তিনি জানিয়েছেন, স্বপ্নে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে কাবা শরিফ প্রদক্ষিণ করার কথাও। সেই বিশ্বাস থেকেই কায়সার মনে করেন, কারিনাও তাদের সঙ্গে ওমরাহ পালন করেছে। পুরো সময় তিনি মেয়ের পাসপোর্টটিও নিজের সঙ্গে রেখেছিলেন।
উল্লেখ্য, অল্প সময়ের মধ্যে উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্টের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছিলেন কারিনা কায়সার। পরে তিনি অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার সঙ্গেও যুক্ত হন। ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’-এর মতো আলোচিত সিরিজে কাজ করেছিলেন এই তরুণ প্রতিভা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত গ্রাম পুলিশদের জন্য ২০টি বাইসাইকেল প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের দায়িত্ব পালনে গতিশীলতা বৃদ্ধি করবে।
আজ সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রাম পুলিশদের হাতে বাইসাইকেলগুলো তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।
এ সময় মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাউর রাব্বি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, গ্রাম পুলিশ ও দফাদাররা তৃণমূল পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাইসাইকেলগুলো তাদের চলাচল সহজ করবে, যা দায়িত্ব পালনের সময় সহায়ক হবে। এর ফলে গ্রামীণ পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা ও সরকারি সেবাসংক্রান্ত কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পরও নির্ধারিত সরকারি দায়িত্ব পালনে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছেন মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান।
দুর্ঘটনাটি ঘটে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে, যখন ইউএনওর সরকারি গাড়িটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাহেব সরকার বাড়ি গেট এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ ঘটনায় ইউএনও মেহেদী হাসান এবং তার গাড়িচালক হেলাল মিয়া আহত হন। ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চালক হেলাল মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং এক্স-রে করানো হয়েছে। তবে ইউএনও মেহেদী হাসান গুরুতর আহত না হওয়ায় তিনি দুর্ঘটনার পরও নির্ধারিত সরকারি দায়িত্ব পালনে হবিগঞ্জে গিয়ে মিটিংয়ে অংশ নেন।
দুর্ঘটনার পর কাভার্ডভ্যানটি মাধবপুর থানায় আটক রাখা হয়েছে এবং পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে। সরকারি দায়িত্বকে গুরুত্ব দিয়ে মিটিংয়ে অংশ নেওয়ার জন্য ইউএনও মেহেদী হাসানের দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। ব্যক্তিগত অসুবিধার মধ্যেও দায়িত্ব পালনে তার আন্তরিকতা একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় বহন করে বলে মনে করছেন অনেকে।
সাংবাদিক শাবানা চৌধুরী মন্তব্য করেন, "ইউএনও সাহেব অত্যন্ত দায়িত্বপরায়ণ। দুর্ঘটনার পরও সরকারি দায়িত্ব পালনে তিনি হবিগঞ্জে গিয়েছেন।"
হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ বলেন, "বিষয়টি আমি জেনেছি। ইউএনও তেমন আহত হননি বলে জানতে পেরেছি।"
ইউএনও মেহেদী হাসান জানান, "আল্লাহর রহমতে আমি সুস্থ আছি। বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ