প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মো. মাসুদ মিয়া (৪২)। তিনি মৃত আসাদ মেম্বারের ছেলে। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুর ডাকঘরের আওতাধীন মাইজচর শ্যামপুরপাড়া গ্রামে।
জানা গেছে, মেঘনা নদী থেকে বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ। পরে মরদেহের ছবি ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে স্বজনরা সেটি দেখে মরদেহটি মাসুদ মিয়ার বলে শনাক্ত করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি একটি রহস্যজনক মৃত্যু বলে ধারণা করা হলেও মরদেহ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়ায় হত্যার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
এদিকে নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের দাবি, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাদের মতে, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষের আইনের প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
স্বজনদের অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুরো পরিবার শোক ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন