প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ৯০ জন শিশুশিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে জাইমা রহমান আড্ডায় মাতলেন। তিনি প্রত্যেক শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন এবং নিজের জীবনের কথা শেয়ার করেছেন। আজ কথা বলার মধ্যে তিনি অনেক স্বপ্নের কথাও বলেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ আড্ডাটি চলে। এ আয়োজন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, জাইমা রহমান শিশুদের কাছে তাদের ইচ্ছার কথা জানতে চান এবং তাদের বুঝানোর চেষ্টা করেন যে পড়ালেখার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ে অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হবে।
এ সময় জাইমা রহমান নিজের ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি শিশুদের কাছে জানতে চান, তারা রান্না করতে পারে কি না। অনেক শিশু হ্যাঁ বলার পর, তাদের এলাকায় গেলে তারা কী খাওয়াবে তাও জানতে চান। শিশুরা জানায়, তারা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়াবে। তখন জাইমা রহমান ইলিশ মাছের সঙ্গেও বিরিয়ানি খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
এই বিষয়ে আখাউড়ার রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, "আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রীকন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন ভাবতে পারিনি। তিনি আমাদের বলেছেন পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে।"
উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী মন্তব্য করেন, "প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রত্যেক শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন এবং নিজের জীবনের কথা বলেছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছিলেন।"
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, "প্রধানমন্ত্রীকন্যার সঙ্গে আলোচনা করতে পেরে শিশুরা খুব অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রীকন্যা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয় শেখানোও করেছেন।"
এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানান, "আসলে আমরা আশা করিনি প্রধানমন্ত্রীকন্যা এত বেশি সময় দেবেন এবং সব শিশুর কাছ থেকে সময় নিয়ে কথা শুনবেন। বিষয়টি শিশুদের খুব অনুপ্রাণিত করেছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন