প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝালকাঠির ঐতিহাসিক কাঁঠালিয়া থানা ১৯৩৭ সালে (মতান্তরে ১৯৩৬ সালে) একটি পুলিশ স্টেশন বা জলথানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এখানে দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবু নাছের রায়হান তাঁর অনন্য কর্মদক্ষতা, সততা ও মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর যোগ্য ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে পুরো উপজেলায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আজ বহুলাংশে কমে এসেছে।
তালাশ বিডির অনুসন্ধানে জানা যায়, কাঁঠালিয়া থানায় যোগদানের পর থেকেই ওসির প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য ছিল এলাকাকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত করা। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মাদক বিক্রেতা বা সেবনকারী যত বড়ই প্রভাবশালী কিংবা রাজনৈতিক নেতা হোন না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাঁর এই বজ্রকঠিন ও নিরবচ্ছিন্ন সাঁড়াশি অভিযানের মুখে উপজেলার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী সিন্ডিকেট ও নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগে অপরাধীদের ভয়ে সাধারণ মানুষ শঙ্কিত থাকলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ওসি আবু নাছের রায়হানের দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম ও কঠোর আইনগত পদক্ষেপের কল্যাণে কাঁঠালিয়ার মানুষ এখন গভীর শান্তিতে ও নিরাপদে দিনাতিপাত করছেন। মাদকসেবী, সন্ত্রাসী, চোর, ডাকাত, ক্যাডার ও গডফাদারদের বিরুদ্ধে তাঁর অনমনীয় অবস্থান প্রমাণ করেছে যে, সমাজের এই অপরাধীদের সঠিক জায়গা কেবলই জেলখানা।
ভুক্তভোগীরা আরও জানান, কাঁঠালিয়া থানায় বর্তমানে সর্বসাধারণের জন্য ওসির দরজা সব সময় উন্মুক্ত থাকে। সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও ধৈর্যের সাথে শোনেন এবং আইনি সমাধান নিশ্চিত করেন। তিনি তাঁর কাজের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে প্রমাণ করেছেন যে, পুলিশই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। অপরাধীদের কাছে তিনি যেমন এক আতঙ্কের নাম, তেমনি সাধারণ, নিরীহ ও সু-নাগরিকদের কাছে তিনি আজ গভীর ভরসা ও উপমার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন