প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অধ্যুষিত পশ্চিম তীরে (ওয়েস্ট ব্যাংক) ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও অভিযানের মাত্রা চরম আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি, ইসরায়েলি বাহিনী এই অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ৭০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই গণগ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক সংগঠন 'ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স সোসাইটি'।
সামরিক বাহিনীর অভিযান এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের (সেটলার) লাগাতার হামলার ফলে পশ্চিম তীরের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ফিলিস্তিনি গ্রামে বসতি স্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে কৃষিজমি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে।
ইসরায়েলি বাহিনী গণমাধ্যমকে ঘটনাবলী প্রকাশ করা থেকে বিরত রাখতে আগ্রাসী ভূমিকা নিচ্ছে। হেব্রনের ফারশ আল-হাওয়া চেকপয়েন্টের কাছে ইসরায়েলি বাহিনীর বুলডোজার দিয়ে ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য ধারণ করছিলেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার সাংবাদিকরা। তথ্য সংগ্রহ ও দৃশ্য ধারণে বাধা দিতে, সরাসরি ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক ওই সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে সাউন্ড ও স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি সেনারা।
এই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এই হামলা ও অভিযান তাদের জনগণের বিরুদ্ধে অব্যাহত অপরাধমূলক আগ্রাসনেরই অংশ। সংগঠনটি এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
একই সঙ্গে, পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষও (পিএ) ইসরায়েলি বর্বরতা থামাতে এবং ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় অবিলম্বে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। সূত্র: আল জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন