প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী শহর পাভেহতে, নিজের বাড়িতে বন্দুকধারীদের গুলিতে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
তবে, অতীতের হামলাগুলোর জন্য ইরানের সরকার প্রায়ই সীমান্ত এলাকার কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে। তেহরান এই গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তোলে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, এটি ছিল একটি ‘সন্ত্রাসী ও কাপুরুষোচিত হামলা’।
এই ঘটনায় আরো দুইজন আইআরজিসি সদস্য আহত হয়েছেন।
হামলার বিস্তারিত ঘটনা এবং দোষীদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, সোমবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সারাভান শহরে একটি পরিবারের গাড়িতে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এতে পরিবারের বাবা ঘটনাস্থলেই নিহত হন, এবং মা গুরুতর আহত হন।
পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
এই হামলার জন্য কারা দায়ী, সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো অফিসিয়াল তথ্য দেয়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করেছে, হামলাটি ‘জায়নবাদী-আমেরিকান ভাড়াটে গোষ্ঠী’ পরিচালিত। ইরানের কর্মকর্তারা সাধারণত বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বোঝাতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করেন।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনী, সশস্ত্র গোষ্ঠী ও মাদক পাচারকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটছে।
এটি হচ্ছে ইরানের অন্যতম দরিদ্র প্রদেশ। এখানে অনেক বেলুচ জনগণের বাস, যাদের বেশিরভাগ সুন্নি মুসলিম, তবে ইরানের অধিকাংশ মানুষ শিয়া মুসলিম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন