১১:১৯ পি.এম
সিলেট, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের জন্য বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির নির্দেশনা প্রদান করেছেন, যা রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের পরিমাণ ও কার্গো পরিবহনের সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হবে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পণ্য সংরক্ষণ থেকে রপ্তানি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুষঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করা আবশ্যক।
আজ শুক্রবার সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ প্রকল্পের পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
বৈঠকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির আরও বলেন, কোল্ড স্টোরেজের বিভিন্ন চেম্বারের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের সময় রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিমাণ এবং কার্গোতে পণ্য পরিবহনের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একটি কার্গোতে পণ্য পাঠানোর পর পরবর্তী চালানের প্রস্তুতি যাতে ব্যাহত না হয়, সে অনুযায়ী সংরক্ষণ ও পরিবহনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় কমানোর জন্য প্যাকিং হাউজে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের অবশিষ্টাংশ থেকে জৈব সার উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শও দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অপচয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।
প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ ও কৃষি বিপণন বিভাগের কর্মকর্তাদের এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি প্রকল্পের অবকাঠামো, পরিচালন ব্যবস্থা ও রপ্তানিসংক্রান্ত সুবিধা পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জুলিয়া জেসমিন মিলিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সার আমদানি কমাতে তিনটি বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন