প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত রাতের ডালাসে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে স্পেনের কাছে পর্তুগাল ১-০ গোলে হারিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর থেকে বিদায় নিল। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন মিকেল মেরিনো।
দীর্ঘ দুই দশকের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নিজের শেষ বিশ্বকাপে এসে পর্তুগালের সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কিছু লজ্জার রেকর্ডের সম্মুখীন হয়েছেন।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০ ম্যাচে ৭৪১ মিনিট খেলে মাত্র ১টি গোল করেছেন রোনালদো। চলতি বিশ্বকাপের নক আউটে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে তিনি একমাত্র গোলটি করেছিলেন। এই পর্তুগিজ তারকা কোনো অ্যাসিস্টও করতে পারেননি।
লিওনেল মেসির পরে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন রোনালদো। ২০০৬ সালের সেমিফাইনালে খেলা তার সেরা সাফল্য।
স্পেনের বিপক্ষে রোনালদো ১৯ বার বল স্পর্শ করেন। শুরুর একাদশে খেলা কোনো ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচে এটি রোনালদোর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের কোন ম্যাচে কখনোই গোলপোস্ট লক্ষ্য করে দু'টির বেশি শট নিতে পারেননি রোনালদো। এর পূর্বে তার সেরা পরিসংখ্যান ছিল ২০১০ সালের শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে দু'টি এবং ২০০৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দু'টি শট।
এই বিশ্বকাপে রোনালদো ১৭টি শট নিয়েছেন। কিন্তু তিনি সতীর্থদের জন্য গোলের কোনো সুযোগ তৈরিও করতে পারেননি। গত ৬০ বছরের মধ্যে এটি ছিল সর্বোচ্চ শট নেওয়ার রেকর্ড, যেখানে তিনি কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি।
রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৬৬ সাল থেকে) সুযোগ তৈরি না করে সর্বোচ্চ ১৫টি শটে ১টি গোল করেছিলেন মেক্সিকোর আলবার্তো গার্সিয়া আসপে ১৯৯৮ সালে।
রোনালদো শেষ ৯টি ম্যাচে কোনও ড্রিবল করার চেষ্টা করেননি। এমনকি তার শেষ ১৫টি ম্যাচে একটিও সফল ড্রিবলিং করতে পারেননি।
ক্যারিয়ারে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনি মোট ১১টি গোল করেন। এটি পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। তবে, এই গোলগুলোর মধ্যে ১০টি গ্রুপ পর্ব থেকে এসেছে।
বড় কোনো টুর্নামেন্টে স্পেনের বিপক্ষে খেলা তিনটি নকআউট ম্যাচের সবগুলোতেই হেরে যাচ্ছে পর্তুগাল। এর মধ্যে ২০১০ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো এবং ২০১২ ইউরোর সেমিফাইনাল অন্তর্ভুক্ত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন